পাবনার আতাইকুলায় জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রকাশ্য দিবালোকে একটি মার্কেট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে আতাইকুলা থানার ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ভাঙচুরের কারণে তাদের ২০ লাখ টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় এরশাদুল ইসলাম আতাইকুলা থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আজিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।
জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে এরশাদুল ইসলামের চাচা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা মার্কেটটিতে তালা দেন। এ নিয়ে এরশাদুল ইসলাম আতাইকুলা থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেয়। তবে এর মধ্যেই মার্কেট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য
এরশাদুল ইসলাম বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। তাঁর অভিযোগ, প্রথমে একটি সচল মার্কেটে তালা দেওয়া হয়, পরে সেটি ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
পুলিশের বক্তব্য
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানান, মার্কেট ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে একটি মার্কেট ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে জমির প্রকৃত মালিকানা, ভাঙচুরের ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে জমিসংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়াই কাম্য। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed