পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাবেক চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমানের প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
২ অক্টোবর ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাঁথিয়া উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সেখানে নাগডেমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হাফিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।
এদিকে, হাফিজুর রহমানের রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় কয়েকটি মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। সমালোচকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের যোগাযোগ বা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের নজির থাকলে, একই ধরনের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে ভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা উচিত নয়।
বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাবনা-১ আসনের রাজনীতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমর্থনের বিষয়টি স্থানীয় আলোচনায় উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে পাবনা-১ আসনের রাজনীতিতে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ভূমিকা ও বিএনপির সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও সংবাদমাধ্যমে আলোচনা প্রকাশিত হয়েছে।
তবে কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ‘সুবিধাবাদী’, ‘দ্বিমুখী চরিত্র’ কিংবা অন্য কোনো মন্তব্যকে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না। এসব মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যের অংশ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং নির্ভরযোগ্য নথি ছাড়া এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
নাগডেমরা ইউনিয়নের সরকারি ওয়েবসাইটে হাফিজুর রহমানকে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মতপার্থক্য ও সমালোচনা থাকতেই পারে। তবে প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের মূল্যায়নে ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশালীন বক্তব্য কিংবা যাচাইহীন অভিযোগের পরিবর্তে প্রার্থীর রাজনৈতিক অবস্থান, পূর্বের কর্মকাণ্ড, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আলোচনা হওয়াই গঠনমূলক রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজ সাঁথিয়া প্রতিনিধি
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed