নিজস্ব প্রতিবেদক: আব্দুস শুকুর | সংযোগ বাংলা টিভি
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে মনোনীত হওয়াকে কেন্দ্র করে শামীম আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, গতকাল (১১ আগস্ট) শামীম আহমেদ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী পদে মনোনীত হওয়ায় কয়েকজন বিএনপির কর্মী সেখানে মব সৃষ্টি করেন এবং তাকে চাপ প্রয়োগ করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন।
জানা গেছে, শামীম আহমেদ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ বেতার, রাজশাহীর বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেওয়া একজন আলোচক এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনেরও আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে শামীম আহমেদ কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনীত হয়েছেন।
এদিকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কারও ছবি থাকা বা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার বিষয়টিকে চাকরি বা দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ আছে কি না—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে শামীম আহমেদকে হেনস্তা করার অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক আব্দুস শুকুর। একই সঙ্গে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তিকে রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ বা অন্য কোনো কারণে হেনস্তা কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
তবে শামীম আহমেদকে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপির কর্মীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে।
নিউজ: আব্দুস শুকুর
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম
