পাবনার আইন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত অ্যাডভোকেট মোঃ সুলতান মাহমুদ খান (এহিয়া)। পাবনা জুডিশিয়ারির সরকারি আইনজীবী বাতায়নেও তাঁর নাম তালিকাভুক্ত রয়েছে।
আইন পেশার মূল দায়িত্ব হচ্ছে—মামলার তথ্য, সাক্ষ্য, আইন ও প্রমাণ আদালতের সামনে উপস্থাপন করা এবং একজন মক্কেলের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। এই জায়গা থেকেই অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ খান এহিয়ার আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে।
তাঁকে ঘিরে সমর্থকদের একটি বক্তব্য হলো—অন্যায়, হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলায় কেউ আইনি জটিলতায় পড়লে তিনি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার পক্ষে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে আলোচিত বিভিন্ন মামলায় তাঁর আইনগত ভূমিকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
তবে কোনো আইনজীবীই ভুলের ঊর্ধ্বে নন। একজন আইনজীবীর ব্যক্তিগত অবস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা কোনো পক্ষের প্রতি সমর্থন থাকলেও আদালতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করে আইন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর। তাই কাউকে সম্পূর্ণ নির্ভুল বা সবসময় সত্যের পক্ষের মানুষ হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করার আগে নির্দিষ্ট ঘটনা ও প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
২০২৫ সালের পাবনা জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে সুলতান মাহমুদ খান এহিয়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তী ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ১২৫ ভোট পান।
আইনের লড়াই কোনো স্লোগানের বিষয় নয়—এটি তথ্য, প্রমাণ, যুক্তি ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। সত্য যদি সত্যিই প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে সেটি আদালতের নথি ও বিচারিক সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই সবচেয়ে শক্তভাবে প্রকাশ পায়। আর মিথ্যা অভিযোগ হলে সেটিও আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অতএব, “মিথ্যার বিপ্লব নয়, সত্যের আইনি লড়াই”— এই প্রত্যাশাই একজন আইনজীবীর পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ খান এহিয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা মূল্যায়নের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হওয়া উচিত তাঁর পরিচালিত মামলার নথি, আদালতের আদেশ এবং প্রমাণভিত্তিক কর্মকাণ্ড।
ব্যক্তি নয়—আইনই হোক শেষ কথা।
অভিযোগ নয়—প্রমাণই হোক সত্য নির্ধারণের ভিত্তি।
নিউজ আব্দুস শুকুর
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed