চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল নিবন্ধনের বিনিময়ে ২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এর একটি বিশেষ দল ফাঁদ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা হলেন পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম এবং অফিসের উমেদার রূপন দাশ।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের এক আইনজীবী তাঁর মক্কেলের দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র নিবন্ধনের জন্য পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে জমা দেন। অভিযোগ করা হয়, দলিলগুলোতে ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও নিবন্ধন প্রক্রিয়া আটকে রেখে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে ওই আইনজীবী দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬-এ অভিযোগ করেন এবং চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত আবেদন দেন। অভিযোগের পর কমিশনের অনুমোদন নিয়ে দুদক একটি ফাঁদ অভিযান পরিচালনা করে। নির্ধারিত লেনদেনের সময় ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
দুদক জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা জরুরি
সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে গিয়ে কেউ ঘুষ দাবি করলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর সুযোগ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং আদালতের মাধ্যমে অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়াই আইনের শাসনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
এই ঘটনায় দুদকের ফাঁদ অভিযান ঘুষের অভিযোগ তদন্ত ও প্রমাণের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে সামনে এসেছে। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
নিউজ প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম
তথ্যসূত্র: দুদক-সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন—বিডিনিউজ২৪, প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

You missed