সুখী জীবনের জন্যে সুস্বাস্থ্যের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান বিশ্বে মানুষ স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। কিন্তু তা সত্ত্বেও বেড়েই চলেছে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে হাড়ের সমস্যা।কম বয়সিরাও ভুগছে জয়েন্টের ব্যথায়। নেপথ্যে দায়ী সেডেন্টারি লাইফস্টাইল। দৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে এ ধরনের সমস্যা সহজেই এড়াতে পারবেন। সারাদিন শারীরিক ভাবে সক্রিয় থাকা, এক জায়গায় বসে না থাকা, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া—এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।তবে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম ৩০ মিনিট কী করবেন জানেন?

ঘুম থেকে ওঠার পরের ৩০ মিনিট কী কী করবেন?

হাইড্রেশন
৭-৮ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ঘুম একাধিক রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আর এই নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে আপনি পানি খান না। তাই ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীর ডিহাইড্রেট থাকে। তাই বিছানা থেকে নামা মাত্র পানি পান করুন।এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন। এ ছাড়া কুসুম গরম লেবুর পানিও খেতে পারেন। বরং, চা-কফি সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন।

স্ট্রেচিং
মুখ ধোয়া, গোসল করার মতো প্রাত্যহিক কাজগুলো শুরু করার আগে একটু স্ট্রেচিং করে নিন। হালকা স্ট্রেচিং করতে পারেন।৫-১০ মিনিট করলেই হবে। এতে শরীরে ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে এবং জয়েন্টের স্টিভনেস বা কঠোর ভাব এড়াতে পারবেন। পাশাপাশি কাজ করার এনার্জি পাবেন।

রোদে দাঁড়ান
সকালের রোদ স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী। এটি শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করে। তাই অন্তত ১৫ মিনিট রোদে দাঁড়ান। এই অভ্যাস সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী।

এক্সারসাইজ
একদম ওয়ার্কআউট না করলে স্ট্রেচিং করে নিন। আর ফিট থাকতে হলে সকালবেলাই এক্সারসাইজ সেরে নিন। ব্রিস্ক ওয়াকিং, সাইকেলিং, সুইমিং করতে পারেন। কিংবা জিমে গিয়েও ঘাম ঝরাতে পারেন। দিনের শুরুতেই শরীরচর্চা করে নেয়া জরুরি। এতে সারাদিন কাজ করার এনার্জি মেলে এবং মন ভালো থাকে। 

দিনের কাজ গুছিয়ে নিন
সারাদিন কী কী করবেন, কী রান্না করবেন, কখন কোথায় যাবেন— সব প্ল্যান সেরে রাখুন। এতে সারাদিন যতই ব্যস্ততা থাকুক, সব কাজ সময় মতো করতে পারবেন।

By mgmynul

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed