জরুরি
বাংলাদেশের নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয়ে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই জালের ফাঁস অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় বড় মাছের পাশাপাশি রেণু পোনা, ডিম ও ছোট মাছও আটকা পড়ে মারা যায়। ফলে দেশীয় মাছের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি জলাশয়ে চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার করলে সেখানে মাছের স্বাভাবিক বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়। এতে রুই, কাতলা, মৃগেল, শিং, মাগুর, টেংরা, পাবদা, কৈ, পুঁটি, টাকি, শোল, গজারসহ বহু দেশীয় মাছের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে।
বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে এই ধরনের ক্ষতিকর জাল ব্যবহার, বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হচ্ছে। তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক অভিযান নয়, জনগণের সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যে কোনো স্থানে চায়না দুয়ারী জাল বা অনুরূপ ক্ষতিকর জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখলে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ জানানো উচিত।
দেশীয় মাছ রক্ষা করা মানে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা। তাই আসুন, অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার বন্ধে সবাই সচেতন হই এবং দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক আবাস সংরক্ষণে একযোগে কাজ করি।
নিউজ: আব্দুস শুকুর
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed