কক্সবাজারের চকরিয়ায় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের অভিযোগের প্রায় চার ঘণ্টা পর তাঁর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে থেকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন ব্যক্তি জিসানকে তুলে নিয়ে যায় বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে সোমবার ভোরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় তাঁর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকার কথাও পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। �
দেশ রূপান্তর +১
নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে। তাঁকে কারা অপহরণ করেছে, হত্যার পেছনে কী কারণ ছিল এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত—এসব বিষয় এখনো তদন্তাধীন। পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের পর একটি ভবনে নিয়ে নির্যাতনের যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটিও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন। �
খবরের কাগজ +১
চকরিয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। �
Dhaka Times 24
ঘটনাটি এমন একটি এলাকায় ঘটেছে, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্বাচনী এলাকার অন্তর্ভুক্ত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন এবং কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য। �
মহানগর সরকার +১
তবে কোনো একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফল জানা জরুরি। একই সঙ্গে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জনসমক্ষে তুলে ধরাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
নিউজ প্রতিনিধি
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed