নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
সংযোগ বাংলা টিভি | সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম
নেত্রকোনার এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসার আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো. এহসানুল হকের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর অবস্থানের একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সাম্প্রতিক একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদ্রাসার একটি কক্ষে ওই শিক্ষক ও এক নারীকে দেখা যায়। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের দাবি উঠলেও ওই নারীর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কিছু প্রতিবেদনে তাকে শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আবার অন্য প্রতিবেদনে শুধু ‘নারী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, গত আগস্টে সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি নজরে আসার পর শিক্ষক এহসানুল হকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া, ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা এবং পদত্যাগপত্র গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নিরাপদ ও পেশাগত পরিবেশ নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ভিডিও পুনরায় শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির গোপনীয়তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি আইনগত জটিলতাও তৈরি হতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ব্যক্তির অনৈতিক বা বিধিবহির্ভূত আচরণের অভিযোগ উঠলে সেটিকে পুরো একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বা মাদ্রাসা শিক্ষার সঙ্গে এক করে দেখা সমীচীন নয়। বরং অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ করাই সঠিক পদ্ধতি।
সংযোগ বাংলা টিভির পক্ষ থেকে—ঘটনাটির সত্যতা ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য আরও যাচাই করে পরবর্তী তথ্য প্রকাশ করা হবে। প্রমাণিত তথ্য ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

You missed