পাবনা ফুলকুঁড়ি আসর, পাবনা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন একজন সাংস্কৃতিক কর্মী। এ ধরনের আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে আনন্দ ও সম্মানবোধ প্রকাশ করেছেন তিনি।
শিশু-কিশোরদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুঁজে বের করা, তাদের সৃজনশীলতা বিকাশে উৎসাহিত করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা—এ ধরনের প্রতিযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। এসব আয়োজন শিশু-কিশোরদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালনকারী সাংস্কৃতিক কর্মী জানান, শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের এমন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারা তাঁর জন্য আনন্দের। এ সময় তিনি আয়োজক কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আজকের প্রতিভাবান শিশুরাই আগামী দিনে দেশের সংস্কৃতি ও সমাজকে সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিশু-কিশোরদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শিশু-কিশোরদের নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরার পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতা, শৃঙ্খলা ও সৃজনশীল মনোভাব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে। তাই নতুন প্রজন্মকে সুন্দর, মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।
সংস্কৃতি হোক সুন্দর মানুষ গড়ার হাতিয়ার, প্রতিভার বিকাশ হোক আগামীর অনুপ্রেরণা।
নিউজ: আব্দুস শুকুর
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম
