টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বড় অঘটনের জন্ম দিল জিম্বাবুয়ে। তারকায় ঠাসা অস্ট্রেলিয়াকে ১৩ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিল তারা। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ১৬৯ রানের পুঁজি গড়ার পর অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৬ রানে গুটিয়ে দেয় সিকান্দার রাজারা।

এই হারের ফলে গ্রুপ ‘বি’তে তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে অস্ট্রেলিয়া।সুপার এইটে ওঠার লড়াইও কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।

টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়েকে ভালো শুরু এনে দেন ওপেনাররা। ব্রায়ান বেনেট খেলেন অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস, ৫৬ বলের এই ইনিংসে তিনি দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। তাদিওয়ানাশে মারুমানি ও রায়ান বার্ল দুজনেই করেন ৩৫ রান করে।

শেষ দিকে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ২৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। নাথান এলিসের বলে একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শেষ করেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৬৯ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।প্রথম পাঁচ ওভারে ২৯ রানে ৪ উইকেট হারায় তারা। শুরুতে জশ ইংলিসকে ফেরান ব্লেসিং মুজারাবানি। ব্র্যাড ইভান্স তুলে নেন ক্যামেরন গ্রিন ও ট্রাভিস হেডের উইকেট। মুজারাবানির শিকার হয়ে ডাক মারেন টিম ডেভিডও।

মাঝের ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩১) ও ম্যাট রেনশো (৬৩) লড়াইয়ের আশা জাগান।রেনশো অর্ধশতক তুলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও পঞ্চদশ ওভারে ম্যাক্সওয়েলকে আউট করে চাপ বাড়ান রায়ান বার্ল।

শেষের ওভারগুলোতে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যায়। সেট হয়ে যাওয়া রেনশোকে ফিরিয়ে দেন মুজারাবানি। একই ওভারে অ্যাডাম জাম্পাকেও আউট করে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ১০০তম উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। ক্যারিয়ারসেরা ৪ উইকেট ১৭ রানের স্পেলে ম্যাচের নায়ক বনে যান এই পেসার।

শেষ উইকেট হিসেবে রান আউট হন ম্যাথিউ কুনেম্যান। তখন জয়ের জন্য শেষ চার বলে দরকার ছিল ২৪ রান। সেখান থেকেই নিশ্চিত হয় জিম্বাবুয়ের ঐতিহাসিক জয়।

আরইউ

By mgmynul

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed