জাপান প্রতিনিধি: জাপানের সাইতামায় বাইতুল আমান মসজিদ কমপ্লেক্সে ইসলামিক সেন্টার অব জাপানের চেয়ারম্যান ড. আইমান ওমরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে ইসলামিক মিশন জাপানের সভাপতি হাফেজ সাবের আহমদ এবং ইসলামিক মিশন জাপানের নেতা ও ইসলামিক সেন্টার অব জাপানের পরিচালক হাফেজ আলাউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে জাপানে মুসলিম সম্প্রদায়ের সামাজিক ও কমিউনিটি কল্যাণমূলক কার্যক্রম, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। অধ্যাপক মুজিবুর রহমান জাপানে মুসলিমদের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানান।
তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা আল-মায়িদার ২ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে জাপানে বসবাসরত মুসলিমদের বিভিন্ন প্রয়োজন ও সমস্যার সমাধানে ইসলামী সংগঠনগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাতে বাংলাদেশে আন্দোলনের সময় গুরুতর আহত ও অঙ্গহানির শিকার ব্যক্তিদের বিষয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক মুজিবুর রহমান জানান, গুরুতর আহতদের অনেকেরই কৃত্রিম অঙ্গসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।
এ সময় ড. আইমান ওমর জানান, তার গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র রোবোটিক্স ও কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রযুক্তি। অঙ্গহানির শিকার ব্যক্তিদের সহায়তায় এসব প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়েও তিনি কাজ করছেন। প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের কল্যাণে তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে জাপানে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। সেখানে মুসলিমদের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবন, জাপানের আইন ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পর্কে সচেতনতা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সহযোগিতার বিষয়গুলো উঠে আসে।
আলোচনায় বলা হয়, ইসলামিক মিশন জাপান ও ইসলামিক সেন্টার অব জাপান মুসলিমদের সামাজিক ও কমিউনিটি কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা করে আসছে। এর মধ্যে জাপানের সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে মুসলিমদের সচেতন করা, স্থানীয় আইন ও সামাজিক নিয়মকানুন মেনে চলতে সহযোগিতা করা এবং ইসলামী মূল্যবোধ ও পরিচয় বজায় রাখতে সহায়তার বিষয়গুলো রয়েছে।
এছাড়া জাপানে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও পারস্পরিক সম্মানজনক পরিবেশে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ বজায় রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শেষ পর্যায়ে জাপানে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়সহ বৃহত্তর সমাজের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা এবং গঠনমূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নিউজ প্রতিনিধি
সংযোগ বাংলা টিভি
সংযোগ বাংলা নিউজ ডট কম

You missed